লবণাক্ত পানি ছাড়া চিংড়ি প্রসঙ্গে বাঁচতে পারে না কেন চিংড়ির

চিংড়ির শরীরটাকে একটি খোলা দরজার মতো ভাবতে পারেন। মাছের গায়ে আঁশ থাকে, চামড়ায় থাকে একটি প্রতিরক্ষার স্তর। কিন্তু চিংড়ির বাইরের শক্ত খোলসটা মোটেও পানি আটকাতে পারে না। এর ভেতর দিয়ে পানি প্রায় অবাধেই ভেতরে ঢোকে, আবার বেরিয়েও যায়। ঠিক এখানেই লুকিয়ে আছে পুরো ব্যাপারটির আসল রহস্য।

আমাদের শরীরে বাড়তি পানি ও লবণ সামলানোর জন্য যেমন কিডনি রয়েছে, চিংড়িরও তেমন একটি নিজস্ব ব্যবস্থা আছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম অসমোরেগুলেশন বা অভিস্রবণ-নিয়ন্ত্রণ। শুনতে খুব কঠিন লাগছে? বিষয়টি আসলে খুবই সহজ। শরীরের ভেতরে ও বাইরে লবণের পরিমাণ সমান না থাকলে, পানি নিজে নিজেই একদিক থেকে আরেক দিকে ছুটতে শুরু করে। একে বলা হয় অসমোসিস বা অভিস্রবণ। এটি প্রকৃতির এক অদ্ভুত নিয়ম, কেউ না ঠেকালেও পানি সব সময় কম ঘনত্বের দিক থেকে বেশি ঘনত্বের দিকে চলে যায়।

Exit mobile version