নিউ সায়েন্টিস্টর বক্তব্যে গাছকে গান শোনালে কি সত্যিই গাছ দ্রুত

বিজ্ঞানের পেছনের বিজ্ঞান

মানুষের কানের ভেতরে থাকা রোমকূপগুলো শব্দের কম্পনে বেঁকে যায়, ফলে ক্যালসিয়াম আয়ন কোষে প্রবেশ করে স্নায়ুতে সংকেত পাঠায়। আন্দ্রেয়ার মতে, গাছও ঠিক একইভাবে শব্দ শনাক্ত করতে পারে। শব্দের কম্পনের ফলে গাছের কোষের আয়ন চ্যানেলগুলো সাড়া দেয় এবং ক্যালসিয়াম বা পটাশিয়াম আয়ন কোষের ভেতরে-বাইরে যাওয়া আসা করে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনের গবেষক সাইমন গিলরয় জানান, ‘গাছ যে শব্দে সাড়া দেয় তা বিজ্ঞানে সুপ্রতিষ্ঠিত। তবে ঠিক কোন জিনিসটা এই কম্পন শনাক্ত করে তাকে বায়োকেমিক্যাল সংকেতে রূপান্তর করে, তা এখনো বিজ্ঞানীদের অজানা।’

হাইভিয়ার এই গবেষণাপত্রটি এখনো পিয়ার-রিভিউ বা অন্য বিজ্ঞানীদের দিয়ে যাচাই করা হয়নি। গিলরয় মনে করেন, ‘এটি কীভাবে কাজ করছে তা নিয়ে আরও গবেষণার দরকার। হয়তো এই শব্দতরঙ্গ সরাসরি গাছকে নয়, বরং মাটিকে প্রভাবিত করছে!’

তবে কারণ যা-ই হোক না কেন, এই পদ্ধতি যদি সত্যিই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়, তবে তা কৃষিক্ষেত্রে এক বিশাল বিপ্লব নিয়ে আসবে। গিলরয়ের ভাষায়, ‘কৃষিক্ষেত্রে ফলন ৫ থেকে ১০ শতাংশ বাড়ানোও বিরাট ব্যাপার। আর এটি যদি সত্যিই কাজ করে, তবে তা হবে চরম উত্তেজনার একটি বিষয়!’

সূত্র: নিউ সায়েন্টিস্ট

বাংলা ম্যাগাজিন /এস পি

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।