আটলান্টিকের কোল্ড ব্লব কি প্রসঙ্গে বড় কোনো প্রলয়ের আভাস

রাহমস্টর্ফের এই আবিষ্কার আরও এক বিপদের সংকেত দিচ্ছে। আটলান্টিকের এই স্রোতবিপর্যয় শুধু অ্যামকের পতনই ডেকে আনবে না, বরং তা সাবপোলার জাইর নামে শীতল জলরাশিকে ঘিরে থাকা একটি বিশাল সামুদ্রিক ঘূর্ণিস্রোতকেও ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে। এই ঘূর্ণিটি বন্ধ হয়ে গেলে অ্যামকের সম্পূর্ণ পতনের আগেই ২০৪০-এর দশকের শুরুতে যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিম ইউরোপের তাপমাত্রা নাটকীয়ভাবে কমে যেতে পারে।
অবশ্য তথ্যের সীমাবদ্ধতার কারণে ডেভিড থর্নালি বা নেল ফ্রেজারের মতো অনেক বিজ্ঞানীই একে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলতে নারাজ। তাঁদের মতে, নরওয়েজিয়ান স্রোতের মতো অ্যামকের অন্য কোনো শাখা শক্তিশালী হয়ে এই তাপ সরিয়ে নিচ্ছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা দরকার।
দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, যখন এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পরিবর্তনগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সবচেয়ে বেশি জরুরি, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্রের বৈজ্ঞানিক কর্মসূচিতে বড় ধরনের বাজেট কাটা হয়েছে। ‘ওশান অবজারভেটরিজ ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় গ্রিনল্যান্ড ও আমেরিকার উপকূলবর্তী অঞ্চলে সাগরের নিচে নজর রাখার যে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ছিল, বাজেট স্বল্পতার কারণে তা সংকুচিত করা হচ্ছে।



