শঙ্কা কেটেছে ডা. মাহমুদা মিতুর[/gpt3]

এক সপ্তাহের বেশি সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে এনসিপি ডেপুটি চিফ অর্গানাইজার ডা. মাহমুদা আলম মিতুর।
আজ বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ খবর জানান মিতু। সঙ্গে এলাকাবাসীর জন্য আশার খবর দিয়েছেন। নিচে তার ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো:
আলহামদুলিল্লাহ শারিরীক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। গতকাল ড্রেইন টিউব ক্যানুলা সব খোলার পরে নিজেকে মুক্ত মনে হচ্ছিলো। টানা ৮ দিন অলমোস্ট মৃত্যুর সাথে লড়েছি। তবে নানা জটিলতায় শরীরের উপরে ধকল গিয়েছে। আমার হাতে ক্যানুলার আর জায়গা না থাকায় শেষে বাচ্চাদের ক্যানুলা দিয়ে হাত অলমোস্ট বেঁধে দেয়া হইছিলো। সে গল্প অন্য একদিন।
আমার জন্য এখন খুশির সংবাদ হলো কাঠালিয়া রাজাপুর উপজেলা মসজিদ মাদ্রাসার মন্দির আশ্রমের স্পেশাল বরাদ্দর জন্য আসিফ মাহমুদ বরাবর নভেম্বরে আবেদন করেছিলাম। সেটা ডিসেম্বরে পাশ হলেও ইলেকশনের জন্য দেয়া হয় নি। সেটা দেয়া শুরু হয়েছে।
ইনশাআল্লাহ কিছুদিন পরে কাঠালিয়ার রাস্তাঘাটের জন্য যে ১১৩ কোটি টাকার বরাদ্দ হয়েছে সেটার কাজ ও শুরু হবে।
প্রতি মসজিদ মন্দির ২ লাখ করে পাবে তবে যত নাম দিয়েছিলাম সবগুলো আসে নি। যারা বরাদ্দ পান নি মন খারাপ না করার অনুরোধ রইলো। আমি যতদিন আছি আপনাদের জন্য চেষ্টা করবো ইন শা আল্লাহ।
আমার অঞ্চলের জনগণের এক পয়সা হক নষ্ট হতে দিবো না ইনশাআল্লাহ। ক্ষমতার লোভ কোনো কালেই ছিলোনা। কিন্তু আপনাদের ভালোবাসার লোভ, আপনাদের জন্য কাজ করার লোভ আমার আছে। কারন আমি জানি এই কাজই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। যারা দুর্নীতি করে আপনাদের হক নষ্ট করবে তারা টিকবে না।
দলমত নির্বিশেষে আমার ইচ্ছা আমার অবহেলিত এলাকার ভাগ্য পরিবর্তন করা। গত ৫০ বছরে কোনো MP মন্ত্রী ঝালকাঠি ১ এর ভাগ্য পরিবর্তন করেনি। এলাকায় ঘুরে ঘুরে দেখেছি এখনো কতটা অনুন্নত এই অঞ্চল। এখনো রাস্তাঘাট দিয়ে এম্বুলেন্স যাওয়ার অবস্থা নাই।
আপনাদের কাছে দাবি থাকবে শুধু একটাই এখন বাকী যে ১১৩ কোটি টাকার কাজ ইলেকশনের আগেই আমার প্রচেষ্টায় পাশ হয়েছে সেই কাজটা যেন ঠিকভাবে হয়। এক পয়সা দুর্নীতি যেন এই কাজে না হয় সেটা আপনারা খেয়াল করবেন।
বরাবরই এই কাজে আমাকে A H Tuhin Sikder হেল্প করছে। সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ আর আসিফ মাহমুদকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দল মত নির্বিশেষে মানুষ ভালো থাকুক এটাই চাই
[/gpt3]



