নিউ সায়েন্টিস্টর বক্তব্যে খুনের রহস্য সমাধানে সাহায্য করবে

আদালতের কাঠগড়ায় ব্যাকটেরিয়া
সবকিছু তো হলো, কিন্তু এসব প্রমাণ কি আদৌ আদালতের বিচারে টিকবে? বিচারকেরা যেকোনো নতুন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ গ্রহণের আগে দেখেন সেটি স্বাধীনভাবে পরীক্ষিত কি না, এর ভুলের মাত্রা কতটুকু।
হাওয়াইয়ের ডেভিড কার্টারের মতে, মৃত্যুর সময় নির্ধারণের জন্য ব্যাকটেরিয়ার ঘড়ি ইতিমধ্যেই আদালতে ব্যবহারের উপযুক্ত হয়ে উঠেছে। কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির জেসিকা মেটকাফের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কেউ মারা যাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে লাশ পাওয়া গেলে ব্যাকটেরিয়া বিশ্লেষণ করে মাত্র ৩ দিনের এদিক-সেদিক হিসেবে মৃত্যুর নিখুঁত সময় বলে দেওয়া সম্ভব।
তবে অপরাধী শনাক্ত করার কাজে ব্যাকটেরিয়ার ব্যবহার আদালতে টিকতে এখনো বেশ সময় লাগবে। কারণ আমাদের ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার ইকোসিস্টেম প্রতিনিয়ত বদলায়। জ্যাক গিলবার্টের মতে, মানুষের ত্বকে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা সারাক্ষণই বদলাচ্ছে এবং এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়াচ্ছে। জীববিজ্ঞানের এই জটিলতা আদালতে প্রমাণ করা বেশ কঠিন।
তবে রব নাইট আশাবাদী। প্রযুক্তি যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে হয়তো অপরাধীরা কোনো আঙুলের ছাপ বা ডিএনএ না ফেলেও পার পাবে না। তাদের শরীরের একটি অদৃশ্য ব্যাকটেরিয়াই হয়তো ধরিয়ে দেবে সব অপরাধের রহস্য!


